নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোটের আগে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা ও ভোটারদের নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাড়িপাল্লা প্রতীকের ভোট চেয়ে ত্রিমূখী ভোট যুদ্ধে নির্বাচিত হয়ে উপজেলা ব্যাপি বিজয়ের পর সাধারণ ভোটার ও কর্মী সমার্থকদের সাথে সৌজন্যে স্বাক্ষাতে বিজয় উদযাপন এবং ভোটের আগে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে চলেছেন যশোর-৫ মণিরামপুর আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য এড.গাজী এনামুল হক(এমপি)।
বৃহঃবার ১২ই ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৬জন সংসদ সদস্য প্রার্থীর মধ্য তিন জন হেভিওয়েট প্রার্থীর তালিকায় থেকে বিএনপির ধানের শীষের মাও. রশীদ আহমেদ ৫৪,৪১৫ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এম ইকবাল হোসেনের কলস প্রতীকের ৮৪,২৭৬ ভোটকে পেছনে ফেলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১৩০,৫৯৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়ে টানা ১ম ও ২য় দিনে শুক্র ও শনিবারে উপজেলার ঝাপা ইউনিয়নের রাজগঞ্জ বাজার,১০নং মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা,বেলতলা চাকলা বাজার,১১নং চালুয়াহাটি ইউনিয়নের শয়লা ও নেংগুড়াহাট বাজার,১২নং শ্যামকুড় ইউনিয়নের চিনেটোলা বাজার এবং ১৪নং দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের দূর্বাডাঙ্গা ও শ্যামনগর বাজার,১৭নং মনোহরপুর ইউনিয়নের তে-মাথা মোড় সহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ জনগণ ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ্যাড.গাজী এনামুল হক।
কয়েকটি প্রতিশ্রুতির মধ্য ঢাকাস্থ মণিরামপুর সমিতির মিলনমেলায় দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করতে আবারও রাজগঞ্জ বাজারে থানা স্থাপনের আশ্বাস পুনরায় বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দেন গাজী এনামুল হক(এমপি)। গত শুক্রবার রাজগঞ্জ বাজারে উপস্থিত জনতার সামনে যশোর-৫ আসনে নব-নির্বাচিত এমপি বলেন, মণিরামপুর বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তর উপজেলা হওয়াতে রাষ্টীয় বরাদ্দ যথেষ্ট না, রাজগঞ্জ বাজার তথা পশ্চিম অঞ্চলের পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন ও গ্রাম গুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও আইনশৃঙ্খলা কাঠামো শক্তিশালী না থাকায় সাধারণ মানুষ নানা আইনী সহায়তা পেতে বিলম্বিত হয়। পূর্ণাঙ্গ থানা প্রতিষ্ঠা হলে ২টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হবে, মাদক পাচারকারী ও অপরাধ দমনে গতি আসবে এবং ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা-বানিজ্য করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে কাজ শুরু হবে। বাজার ভিত্তিক চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগ কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। এর আগে একটি সৌজন্যে স্বাক্ষাতে উপস্থিত সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্য বলেন,আমার কাছে কোন আ’লীগ নাই,বিএনপি নাই! সমস্ত মণিরামপুরবাসীর দায়িত্ব আমার। চাঁদাবাজ, দখলদার, মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী যদি আমার দলের লোকও হয় তার ছাড় নেই।
নব-নির্বাচিত এমপির প্রতি জনগণের প্রত্যাশার এ মতবিনিময় সভায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এলাকার জরাজীর্ণ সড়ক সংস্কার ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান। নির্বাচনের পরপরই এমপির এমন সরাসরি জনসম্পৃক্ততায় আশার আলো দেখছেন স্থানীয়রা। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মাঠপর্যায়ে তার টানা সৌজন্যে স্বাক্ষাতের এই ধারাবাহিকতা মণিরামপুরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সত্যিকারের গতি ফিরবে বলে আশাবাদী মণিরামপুরবাসী।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।